Wednesday, 4 March 2015

เฆ•ী เฆšাเฆ‡ ?

সব মানুষের জীবনে কিছু স্বপ্ন থাকে,কিছু আশা থাকে,থাকে কিছু চাওয়া-পাওয়ার বিষয়।সেগুলোকে সম্বল করেই হয়তবা সে অভিষ্ট লক্ষে পৌছাতে চেষ্টা করে।চেষ্টা করে তার ভবিষ্যৎ জীবনকে সেভাবে গড়ে তোলার।এটাই মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। পরিকল্পনাবিহীন ভবিষ্যৎ সেরকম মধুর হয়ে উঠে না আর প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে সেগুলোকে সেরকমভাবে গুছিয়ে নেওয়াও সম্ভবপর হয়ে ঊঠে না। তাই স্বপ্নের সাথে সাথে সেগুলোর জন্য চাই মানসিক আর শারিরীক প্রস্তুতি। দাম্পত্য জীবন নিয়ে অনেকেরই অনেক ধরনের চিন্তা ভাবনা থাকে।সবাই এই জীবনকে স্ব স্ব রঙে সাজিয়ে তুলতে চায়।আর অন্য দশজনের মত হয়তবা আমারও স্বপ্ন আছে এই ব্যতিক্রম ধর্মী জীবন নিয়ে।এরই ধারাবাহিকতায় কিছু তুলে ধরতে চেষ্টা করছি-

সর্বপ্রথম আমি এমন এক জন কে চাই যে হবে পৃথিবীতে আমার শ্রেষ্ঠ সম্পদ অর্থাৎ দ্বীনদ্বার কারন রাসূল (সাঃ) বলেছেন"সমস্ত পৃথিবীই সম্পদে পরিপূ্র্ন,তার মধ্যে উত্তম সম্পদ হচ্ছে দ্বীনদার স্ত্রী"

মেয়েটি হবে আচার-আচরনের দিক দিয়ে ইসলামের অনুসারী,যাকে দেখলে হৃদয় প্রশান্তিতে ভরে উঠবে।যে ইসলামী জীবন ব্যবস্থাকে তার জীবনের উৎকৃষ্ট বলে মেনে নিবে,মানতে বা চলতে চেষ্টা করবে কুরআন ও হাদীসের বানীর আলোকে।আমি চাই না সে হবে খাদিজা (রাঃ) এর মত,কারন আমি নিজেও মুহাম্মাদ (সাঃ) এর ধারের কাছেও নই।আমি চাই,জীবন পরিচালনার জন্য যতটুকু দরকার তা সে পরিপূর্নভাবে জানবে অথবা আমি যৎসামান্য যা জানি তা তাকে শিখালে তা মানার চেষ্টা করবে।

সে আমার ভালবাসার পৃথিবীকে সাজিয়ে তুলবে।আমার ঘর্মাক্ত, ক্লান্ত, বিষন্ন মুখটা দেখলে সে তার আঁচল দিয়ে মুছিয়ে দিতে চেষ্টা করবে। আমি চাই এমন একটা সহজ সরল মেয়ে যে আমার পরিবারকে ভালবেসে গ্রহণ করবে, যার পরিবারকে আমি গ্রহণ করতে পারব; যে আমাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, যার কাছে আমি মনের কথা খুলে বলতে পারব; যে আমাকে আমার সমস্ত দৈন্যসহকারেই গ্রহণ করবে এবং আমাকে পরিপূর্ণ করে নেবে।

আমার সমস্ত দৈন্যসহকারে আমি তাকে একজন পরিপূর্ণ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করব যে কি’না আমাকে তার মনের সব কথা খুলে বলবে,যার ত্রুটিগুলো আমি চুপ করে না থেকে সংশোধন করতে সহযোগিতা করব।যাকে দেখলে আমি আরও সৎকর্ম করার উৎসাহ পাব।কিন্তু আসল কথা হোল, সে আমাকে দুনিয়ার কাছ থেকে টেনে এনে একটি বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হতে উদ্বুদ্ধ করবে।

অনেক সময় দাম্পত্য সম্পর্কের ভালো অংশটুকু আসে কিছু বেদনার পর। অনেকেই ভড়কে যায়। কিন্তু একটু ধৈর্য্য ধরতে পারলে সেই বেদনা মানুষকে নিজেকে চিনতে, পুণর্গঠিত করতে, পরস্পরকে বুঝতে এবং একজন আত্মপ্রত্যয়ী মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করে। দু’জনে পরস্পরের মন্দটুকু দেখে নেয়ার পর আর কিছুই তাদের পরস্পরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনা। নিকষ কালো আঁধার রাতের পরই ফুটে ওঠে ভোরের সোনালী আলো।

No comments:

Post a Comment